দক্ষতাই শক্তি — এই বিশ্বাস থেকেই টেকালয়ের পথচলা।
বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকারের হার প্রায় ৪৭ শতাংশ। প্রতি বছর লাখ লাখ তরুণ পড়াশোনা শেষ করে চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন — শিক্ষার্থীরা বলছেন চাকরি নেই, আর চাকরিদাতারা বলছেন দক্ষ লোকবল নেই। এই দোটানায় দেশের তরুণরা ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে। দেশের মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিসহ বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর টপ পজিশনগুলোর বেশিরভাগই এখনো বিদেশিদের দখলে।
এই সমস্যার একমাত্র সমাধান হলো দক্ষতা — এবং প্রধানত আইটি বিষয়ক দক্ষতা। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশের মানুষ আইটিতে এতটাই এগিয়ে যে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলো আজ তারাই পরিচালনা করছেন। লেবার-বেজড ইকোনমি থেকে আইটি-বেজড ইকোনমিতে উন্নীত হওয়া এখন সময়ের দাবি; অন্যথায় চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের মতো পঞ্চম ও ষষ্ঠ শিল্প বিপ্লবেও আমরা উদ্ভাবক না হয়ে কনজিউমার হয়েই থেকে যাবো। আর বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিল্প বিপ্লবগুলো যে পুরোপুরি আইটি-নির্ভর হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
আশার কথা হলো, ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বে খুব ভালো একটি অবস্থান করে নিয়েছে। এই অগ্রযাত্রা চলমান রাখতে এবং বাংলাদেশের আইটি ইন্ডাস্ট্রিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতেই কাজ করছে টেকালয়।
"আইটি দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই — দক্ষতাই পারে এই চিত্র বদলে দিতে।"
টেকালয় (টেক-আলয়) মানে প্রযুক্তির বিদ্যালয়। বাংলাদেশের তরুণদের প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তোলাই টেকালয়ের মূল লক্ষ্য।
টেকালয়ের ম্যানেজমেন্ট টিমের নেতৃত্বে আছেন সোহাগ মিয়া। সেই সাথে টিমের বাকি সদস্যরাও প্রযুক্তি বিষয়ে বিশেষভাবে দক্ষ এবং ডেডিকেটেড — যেন বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান স্টুডেন্টদের কাছে আরও ভালোভাবে পৌঁছায়।
প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা এখন ঘটছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে — আর ভিডিও এডিটিং তার সামনের সারিতে। অটো ক্যাপশন, স্মার্ট কালার গ্রেডিং, নয়েজ রিমুভাল, মোশন ট্র্যাকিং থেকে শুরু করে জেনারেটিভ ভিডিও পর্যন্ত — AI বদলে দিচ্ছে একজন এডিটরের কাজের ধরন। যে এডিটর AI টুল ব্যবহারে দক্ষ, তিনি একই সময়ে কয়েকগুণ বেশি ও ভালো কাজ করতে পারেন — ইন্ডাস্ট্রিতে তার চাহিদাও তত বেশি। তাই টেকালয়ের কারিকুলামে আধুনিক AI ওয়ার্কফ্লো গুরুত্বের সাথে যুক্ত করা হয়েছে, যেন আমাদের স্টুডেন্টরা শুধু আজকের জন্য নয়, আগামী দিনের ইন্ডাস্ট্রির জন্যও প্রস্তুত থাকেন।
টেকালয়ের সাথে প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠুন।
কোর্স দেখুন → যোগাযোগ করুন